কুষ্টিয়া একটি অনুন্নত অঞ্চল হওয়ায় এখানের শিক্ষার তেমন প্রসার ঘটেনি। অবহেলিত জনপদের মানুষকে শিক্ষিত করা না গেলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। কেননা, যে জাতি যত বেশী শিক্ষিত সে জাতি তত বেশী উন্নত। শিক্ষিত জাতি একটি দেশের বড় সম্পদ।
কিন্তু দীর্ঘদিন এদেশের জনসংখ্যার একটি বৃহত্তম অংশ তার সুপ্ত ক্ষমতার পরিপূর্ণভাবে বিকশিত করার এবং জাতীয় উন্নয়নে অধিক কার্যকর অবদান রাখার সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিল। তবে সময়ের বিবর্তনে সমাজ জীবনে এসেছে বিরাট পরিবর্তন। সমাজকে এগিয়ে নিতে এবং নারী উচ্চ শিক্ষার পথকে সুগম করার জন্য কিছু সংখ্যক শিক্ষা সচেতন ব্যক্তির উৎসাহ ও নিরলস প্রচেষ্টায় স্থানীয় এলাকাবাসীর আশা আকাংখার কুষ্টিয়া ইসলামিয়া কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে তিনি এককভাবে কলেজের জন্য ১২ কক্ষ বিশিষ্ট ১টি দ্বিতল ভবন নির্মান এবং ২ একরের অধিক ভূমি, স্থায়ী ও চলতি তহবিলে পর্যাপ্ত অর্থ, বই, চেয়ার, ব্যাঞ্চ, টেবিল, ফ্যান ও কম্পিউটার প্রদান করে কলেজের অগ্রগতিকে তরান্বিত করেন।